Bhashanagar

অ্যান কারসন

কানাডিয়ান। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। ‘ইরোস দ্য বিটারসুইট’-এর লেখক (প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত), পাশাপাশি কবিতা লিখছেন। এখন নিউ ইয়র্ক সিটির একজন রকফেলার স্কলার।

ভাষান্তর | পিনাকী গায়েন

বর্ণ বিভাজন বিষয়ে কিছু কথা

নরম সূর্যধোয়া রঙে প্লাবিত ইউরোপবাসীরা, দেখো,
সুরাতের ছবিতে মন্ত্র মুগ্ধ মানুষগুলোকে দেখেছো?
ভদ্র সমাজ বসে আরাম করছে,
চিন্তায় হারিয়ে গিয়ে ইউরপিয়ানরা কোথায় ঘুরে বেড়ায়?
সুরাত এঁকেছেন সেই নিসর্গ চিত্রখানি,
আকর্ষণীয় দৃশ্যের অপর প্রান্তে রয়েছে একটি দীর্ঘ অলস নৌভ্রমণ,
এ ছবি শনিবার বিকালের নয়, বরং একটি রবিবারের,
সুরাত একে স্পষ্ট করেছেন তার কিছু বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে,
তিনি বেশ জোর গলায় বলতেন– ‘আমার পদ্ধতি’,
যখন আমরা জানতে চেয়েছিলাম তাঁর কাছে
তিনি আমাদেরকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন কিছু হিমসবুজ ছায়ারাশি,
দূরের নদীটি তখন নিজের ঠোঁট দু’টি খুলছিল এবং বন্ধ করছিল
নদীটি সুরাতকে চুম্বনে আপ্লুত করছিল।

 

পরিপ্রেক্ষিত বিধি বিষয়ে কিছু কথা

একটি মন্দ কৌশল। ভয়ানক ভুল। সম্পূর্ণ
অসৎ। এসব ব্রাকের দৃষ্টিকোণ।
কেন ব্রাক পরিপ্রেক্ষরিতকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন? কেন?
এমন কেউ যিনি নিজের জীবনছবি আঁকতে ব্যয় করেন
শেষে এই বিশ্বাসে থামে যে– মানুষের একটি চোখ আছে,
অনুভব করেন ব্রাক। ব্রাক বস্তু সমূহকে সম্পূর্ণ দখল করতে চেয়েছিলেন।
তিনি যতটা বলেছেন তাঁর প্রকাশিত সাক্ষাত্কারে– দেখছি ছোট
আড়াআড়ি চকচকে তলগুলো নিসর্গের বাইরে চলে গেল,
তার মুষ্টি ভরা, ব্রাকের ক্ষতি। তাই তিনি
তাদের আকৃতি ভেঙেছেন। এবং ব্রাকের মতে ‘প্রকৃতি মৃত,’।

 

বৃহৎ এবং ক্ষুদ্র বিষয়ে কিছু কথা

বড় ব্যাপার হল– বায়ু, অশুভ শক্তি, একটি ভাল যুদ্ধের ঘোড়া,
সংযোগ তৈরি করা শব্দ, অসীম প্রেম, মানুষ যে উপায়ে
তাদের রাজা বেছে নেয়। ক্ষুদ্র জিনিসগুলোর মধ্যে ময়লা থাকে,
দর্শনের স্কুলগুলোর নাম, মেজাজ এবং
মেজাজ না থাকা, সঠিক সময়। সামগ্রিকভাবে
ছোট জিনিসের চেয়ে বড় জিনিস সংখ্যায় বেশি,
তবুও আরও কিছু ছোটখাটো জিনিসপত্র রয়েছে–
আমি এখানে লিখেছি, কিন্তু এই তালিকা বানানো
একটা হতাশাজনক ব্যাপার। যখন আমি ভাবি যে
আপনি এইগুলি পড়ছেন, আমি চাই না যে আপনি
এগুলোর মধ্যে আবদ্ধ থাকুন, যেমন
কাচের সঙ্গে রেখাযুক্ত তারের জাল দিয়ে পৃথক করা
আপনার জীবন, এলেকট্রা-র মতো।

Bhashanagar